Daily Poribar
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলার তীব্র প্রতিবাদ পর্তুগালে


দৈনিক পরিবার | প্রবাস ডেস্ক মার্চ ২০, ২০২৫, ০৯:২২ পিএম ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলার তীব্র প্রতিবাদ পর্তুগালে

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে পর্তুগালে। বুধবার বিকেলে লিসবনের ঐতিহাসিক রসিও স্কয়ারে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মানবাধিকার সংগঠন মুভিমেন্টো পেলোস ডিরেইটোস দো পোভো প্যালেস্টিনো এ পেলা পাজ নো মেডিও ওরিয়েন্টে (এমপিপিএম)-এর নেতৃত্বে এই সমাবেশে শত শত মানুষ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানাতে একত্রিত হন।  
গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত ও কয়েক শতাধিক আহত হওয়ার পর জাতিসংঘের জরুরি বিবৃতি প্রকাশিত হয়। 
এমপিপিএম বলেছে, নিরপরাধ নাগরিক তথা শিশুদের ওপর হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ। পর্তুগাল ও বৈশ্বিক নেতৃবৃন্দের অবশ্যই এই সহিংসতা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
রসিও স্কয়ারজুড়ে ফিলিস্তিনি পতাকা, হামলায় নিহতদের ছবি ও অস্ত্র বন্ধ কর, শান্তি চাই লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে উত্তাল হয় স্থানটি। বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিন মুক্ত কর, ইসরায়েলি বর্বরতা বন্ধ কর, স্লোগানে মুখরিত করেন স্কয়ার। 
এমপিপিএম-এর সমন্বয়ক জোসে অলিভেইরা ভাষণে বলেন, ইসরায়েল নিরপরাধ মানুষের ওপর বর্বর হামলা করছে, গাজার শিশুরা খাদ্য ও ওষুধের অভাবে মরছে, আর আমরা নীরব থাকব? পর্তুগাল সরকারকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব তৈরি করতে হবে। সমাবেশে ইসরায়েলের সঙ্গে পর্তুগালের সামরিক চুক্তি বাতিল, ফিলিস্তিনে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি তোলা হয়।  
এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় শিক্ষার্থী ক্রিস্টিনা ফেরেইরা বলেন, এটা আসলে গণহত্যা, আমরা শুধু ন্যায়বিচার চাই, মানবিকতার প্রশ্নে ইউরোপীয় নেতারা চুপ করে থাকতে পারেন না। জরুরি হস্তক্ষেপ নিতে হবে।
পর্তুগালের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে- ব্লক এস্কেরদা, লিব্রে, পিসিপি গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বর্বরতার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ মাধ্যমে তাদের কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেছে। এছাড়া তারা পর্তুগাল সরকারের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে গণহত্যা বন্ধে বল প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। অবিলম্বে যুদ্ধ বিরতি কার্যকর করে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পর্তুগালের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 
সমাবেশ শেষে ৩০ মার্চ ফিলিস্তিন দিবস উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে ৩০ মার্চ লিসবনের মার্তিম মুনিজে পার্কে বিকেল ৪ টায় পোর্তোতে জার্দিম ইনফ্যান্টে ডি. হেনরিকে বিকেল ৪টায় এবং কোয়েম্ব্রাতে সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

Side banner