রাতের অন্ধকারে দশ শতাংশ জমির করলার গাছ কে বা কারা গোড়া থেকে তুলে ফেলেছে। শুক্রবার (১৪ মার্চ) দিবাগত রাতে এমনটাই ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ৪নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়ন’র শীতলপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. সফিরুল ইসলাম সফির।
সফি একজন প্রান্তিক কৃষক। শাক-শব্জি যেমন করলা, আলু, পটল, কচু, বেগুন, মরিচ, হলুদ, আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিছু ঈর্ষাপরায়ণ মানুষ এতে মনের ক্ষোভে জ্বলতো।
সফি অত্যন্ত সহজ সরল স্বভাবের মানুষ, কারো সাথে তার কোন পূর্ব শত্রুতাও নেই, এমনটাই প্রতিবেশীরাও জানিয়েছেন। প্রায় এক লক্ষ টাকা করলা বিক্রির সম্ভাবনা ছিল তার। এই ফসল তুলে ফেলাতে তার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো।
ওই গ্রামের মো. আসগর আলী ও সাধু জানান যে, তিনি একজন প্রান্তিক কৃষক। কখনো কারো সাথে বিরোধ ছিল না, তারপরও এই ক্ষতি করাটা কারো কাম্য নয়। এলাকাবাসি সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সরকারিভাবে সাহায্য করার দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এই ফসল নষ্টে ক্ষতির বিচার আল্লাহর কাছে দিলাম। কিছুক্ষণ নির্বাক হয়ে দাড়িয়ে কান্নাকাটি করছিলেন। আর আল্লাহ তায়ালা নিকট বিচার চাইছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :